১৯৫৯ সালের এলএসি-তে চীনের পুরনো মতলব এখনও চালিয়ে যাচ্ছে: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ
আমার বাংলা আন লাইন নিউজ ডেস্কঃ সিআইএ-র একটি পুরানো মানচিত্র প্রমাণ করেছে যে, চীন এখনও ১৯৫৯ সালের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ছোট ছোট সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে এল এ সি-র অপর প্রান্তে ভারতীয় এলাকা দখল করা, যা ১৯৬২ সালে তার একটি নমুনা মাত্র ছিল। লাদাখের অঞ্চলগুলিতে বারবার অনুপ্রবেশ এবং এখন অরুণাচল প্রদেশকে একটি বিতর্কিত অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলার পেছনে চীনের একটি দীর্ঘ পরিকল্পনা রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) চীনের এই পুরনো পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে। চীন ১৯৫৯ সালে এই পরিকল্পনা করেছিল এবং তার পর থেকে তারা ভারতীয় সীমান্তকে একটি বিতর্কিত অঞ্চল হিসাবে দেখতে প্রয়াস করে চলেছে।
প্রকৃতপক্ষে, চীন দাবি করেছে যে, তারা ১৯৫৯ সালে প্রিমিয়ার চিউ এন্লাইয়ের প্রস্তাবিত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) আনুগত্য করছেন, এবং ভারত সর্বদা এর প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিনও একই ভিত্তিতে দাবি করেছেন যে, চীন ভারতের কেন্দ্রশাষিত লাদাখকে স্বীকৃতি দেয় না। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেছেন যে, ভারত অবৈধভাবে লাদাখ ইউনিয়ন অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে। ওপেন গোয়েন্দা সূত্র ডিট্রেসফা সিআইএ -র আর্কাইভে রাখা পুরোনো ম্যাপ থেকে জানা যায় এলএসি-তে পিএলএ-র (পিপলস লিবারেশন আর্মি) সাম্প্রতিক অবস্থান প্রমান করছে যে, চীন আবারও ১৯৫৯ এর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এই মানচিত্রে, পিএলএর আকসাই চিনের অবস্থান দেখানো হয়েছে। এতে চীনের অভিপ্রায় দেখায় যে, পিএলএ কেন লাদাখের বিতর্কিত এলাকার কাছে সেনাবাহিনীকে আরও মোতায়েন করেছে।
সিআইএর পুরনো মানচিত্রে চীনের বর্তমান সামরিক অবস্থান প্রমান করে যে, চীন প্রকৃতপক্ষে যে অঞ্চলটিকে উল্লেখ করছে তার দিকে এগিয়ে চলেছে। ১৯৬২ সালে যুদ্ধের পরে লাদাখ এবং হিমাচলের যে যে অঞ্চলে দুদেশের সেনাবাহিনী থেমেছিল, সেই অঞ্চলগুলিকে ১৯৯৩ সালে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা হিসাবে নামকরণ করা হয়েছিল। যেহেতু ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রণালয় ১৯৫৯ সালের এলএসি নিয়ে চীনের একতরফা সিদ্ধান্ত মানে নি। ১৯৯৩ সালের পর বেশ কিছু সমঝোতা হয়েছিল যাতে সেখানে উত্তেজনা কমে ও যথাস্থিতি বজায় থাকে।

